বলিউড অ’ভিনেত্রী সানি লিওনের পিঠের চামড়া তুলে ফেলা হচ্ছে। এতে র’ক্তাক্ত পিঠে হতাশ হয়ে আছেন তিনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ছবি পোস্ট করেছেন বলিউডের এ অ’ভিনেত্রী। এতেই তার ভক্ত ও অনুরাগীরা ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাই’রাল করে দেন।

সম্প্রতি ছবি নিয়ে ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন সানি লিওন। তিনি জানান, পে’টা ইন্ডিয়া নামের একটি সংস্থার সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সংস্থাটি জীবজন্তুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।ওই সংস্থার সদস্যরা নিজেদের সবকিছু দিয়ে জীবজন্তুদের জন্য ল’ড়াই করে যাচ্ছে। কারণ তারা ঘোর আমিষ বিরোধী।

বিরল প্রা’ণী থেকে শুরু করে সড়কের কুকুর নিয়ে কাজ করছে তারা। তাদের পক্ষে সচেতনতা তৈরি করতে ছবিটি পোস্ট করা হয়। পোস্ট করা ছবিতে উল্লেখ রয়েছে যে, চামড়ার ব্যাগ বা জুতা পশুর চামড়া থেকে তৈরি করা হয়। তাই সেগুলোর ব্যবহার এড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন সানি লিওন।

মা’রজুক রাসেলকে অ’পমান, কড়া জবাব দিলেন ফারুকী’
অ’ভিনেতা ও গীতিকার মা’রজুক রাসেলের কবিতার সংকলন ‘দেহবন্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর’ এসেছে একুশে বইমেলায়। বইটি নিয়ে মা’রজুকের ভক্তদের হুড়োহুড়ি বেশ আলোচনাও তৈরি করেছে। অল্পসময়ে শেষ হয়ে যায় প্রকাশকের মজুদ। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যও করেছেন অনেকে।

কবিতা হয়-হয় না বা নানান প্রসঙ্গ এসেছে সেখানে। এমন তাচ্ছিল্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী’। মূলত লেখক ও শিক্ষক আজফার হোসেনের মন্তব্য তাকে কিছু লিখতে বাধ্য করলো। আজফার রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে লেখেন, “বেয়াদপি মাফ করবেন। অজ্ঞতাও মাফ করবেন (অজ্ঞ তো বটেই)। কিন্তু এই মা’রজুক রাসেল কেডায় আসলে?”

‘টেলিভিশন’ নির্মাতা বিকেলে নিজের দীর্ঘ পোস্টে প্রসঙ্গটি টেনে এনে লেখেন, “এই অবজ্ঞার আরেকটা নমুনা দেখলাম আজফার হোসেনের পোস্টে। সেখানে উনি মা’রজুক রাসেল কেডা এটা জানতে চাইছেন। তা জানতে চাইতেই পারেন। না জানলে জানতে চাওয়াটা দোষের কিছু না। কিন্তু এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ্য যে ‘জানতে চাওয়া’ না হইয়া ‘তুচ্ছ করতে চাওয়াও’ হইতে পারে এটা আজিকার শি’শুরাও বোঝে।

আজফার ভাইয়ের কাজ কর্মের প্রতি আমা’র শ্রদ্ধা আছে। সত্যিই যদি উনি জানতে চাইতেন তাহলে কাউরে জিগাইলেই পারতেন। বা ওর দুয়েকটা কবিতা ঘাইটা পড়লেও পারতেন। পড়ার পর উনার ভালো লাগতে পারতো, খা’রাপও লাগতে পারতো। উনি ভাবতেই পারতেন এই কবিতার বই কেনার কি আছে। মানুষের হরেক রুচি। কারো এইটা ভালো লাগে, তো আরেকজনের ঐটা ভালো লাগে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here